CONNECT WITH SPORTS WORLD

পরাজয়ের বৃত্তে বন্দি সিলেট রয়েলস

কাজী শহীদ, চট্টগ্রাম থেকে
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের প্রথম রাউন্ডের কোনো ম্যাচেই জিততে পারলো না সিলেট রয়েলস। গতকাল চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টানটান উত্তেজনাপূর্ণ শেষ ম্যাচেও ২ রানে খুলনা রয়েল বেঙ্গলসের কাছে হার মানে সিলেট ফলে টানা পাঁচ ম্যাচ হারতে হলো তাদের। পরাজয়ের বৃত্ত যেন ভাঙতেই পাড়ছে না দলটি। টস জিতে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকা সিলেট ব্যাট করতে মাঠে আমন্ত্রণ জানায় খুলনাকে। সিলেটের অধিনায়ক ট্রেগো শুরুতেই স্পিন বোলার নিয়ে আসেন। মাত্র ২৬ রানে উপরের সারির প্রথম তিন ব্যাটসম্যানের বিদায়টা চাপে ফেলে দেয় খুলনাকে।
শুভাগতর প্রথম ওভারে চন্দরপল দুটি বাউন্ডারি হাঁকালেও পরের ওভারেই সাজঘরে ফিরে যেতে হয় খুলনার আরেক ওপেনার হার্শেল গিবসকে (০)। ওভারের দ্বিতীয় বলেই পাকিস্তানি পেসার সোহেল তানভীরের শিকার তিনি। তিন বল পরেই আরেক ওপেনার চন্দরপলকে (৮) প্যাভিলিয়নের পথ ধরান এ পাকিস্তানি। দলীয় ২৬ রানে সনাৎ জয়াসুরিয়ার বিদায়টা ব্যাকফুটে ঠেলে দেয় খুলনাকে। এরপর ওয়ানডাউনে নামা ডুয়াইন স্মিথের সঙ্গে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। খুলনার অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের ব্যাট কিছুটা ধীরস্থির থাকলেও ক্যারিবিয় হার্ড হিটার স্মিথের ব্যাট যেন তরবারি বনে যায়। চার-ছক্কায় রানের চাকা ঊর্ধ্বমুখী করে রাখেন তিনি। এ জুটির ওপর ভর করে খুলনা প্রাথমিক বিপর্যয়টা সামাল দেয়। ২৮ বলে ৪৯ রান জমা করার পর স্মিথ-সাকিব জুটিতে ফাটল ধরান নাবিল সামাদ। ১৯ বলে ১৪ রানের ইনিংস খেলার পর নাবিলের বলে শুভাগত হোমের তালুবন্দি হয়ে মাঠ ছাড়েন সাকিব। দলীয় ৯৫ রানে সাকিবের পথ অনুসরণ করেন খুলনার সর্বোচ্চ স্কোরার স্মিথ। ক্যারিবীয় এ ব্যাটসম্যান তার ৩১ বলে ৫৫ রানের ঝড়ো ইনিংসটি সাজান তিনটি বাউন্ডারি ও এক হালি ওভার বাউন্ডারি দিয়ে। এরপর নাসির (২৩), নাজমুল হোসেন মিলন (২২*) ও এন্ড্রু রাসেলের (৩৫*) রানের গতিময় ইনিংসের কল্যাণে সিলেটের সামনে ৬ উইকেটে ১৭১ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর ছুড়ে দেয় খুলনা রয়েল বেঙ্গল। এন্ড্রু রাসেল ১৪ বলে খেলা এ ইনিংসে তিন বাউন্ডারি ও দুটি ছক্কার মার ছিল। সিলেট রয়েলসের সোহেল তানভীর, নাবিল সামাদ ও ট্রেগো দুটি করে উইকেট তুলে নেন। ১৭২ রানের টার্গেটটা একেবারেই কম ছিল না। কিন্তু সিলেটের পাকিস্তানি ওপেনার কামরান আকমল খুলনার বোলারদের নিয়ে ছেলে খেলায় মেতে উঠে মামুলি টার্গেটে পরিনত করলেন ১৭২ রানকে। চার-ছক্কার তোড়ে ভাসালেন সাকব-রাজ্জাক-এন্ড্রু রাসেলদের। কামরানের ৮২ রানের ইনিংসে মাত্র ২২ বল খেলে চলতি এ আসরে নিজের তৃতীয় অর্ধশত (৫২) রান পূর্ণ করেন এ পাকিস্তানি অলরাউন্ডার। কামরান ৪১ বলের খরচায় ১১ চার ও ৪ ছক্কায় ৮২ রানের ইনিংস খেলে এন্ড্রু সাজঘরে ফেরার আগে ইমরুল কায়েস (৯) ও আইকন অলক কাপালি (৩) ফিরে যান প্যাভিলিয়নে।
কামরান উইকেটে থাকার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত ম্যাচ নিয়ে কোনো টেনশনে থাকতে হয়নি সিলেট সমর্থকদের। কামরান আকমলকে ফিরিয়ে দেয়ার মাত্র ২৭ রানের ব্যবধানে সিলেটের আরো তিন উইকেট (অধিনায়ক পিটার ট্রেগো, শুভাগত হোম ও সোহেল তানভীর) তুলে নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসেন খুলনার বোলাররা। রানের চাকা থমকে দাঁড়ায় সিলেটের। শেষদিকে কিউই অলরাউন্ডার স্টাইরিসের ব্যাটে ম্যাচে আবারো ফিরে আসে সিলেট। শেষ দুই ওভারে সিলেটের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২৮ রান। ১৯তম ওভার করতে আসা এন্ড্রু রাসেলের ওভারের প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তুলেন নাঈম ইসলাম। নাঈমের সঙ্গে স্ট্রাইরিস তা-ব চালিয়ে ওই ওভারে তুলে নেন ১৭ রান। ফলে শেষ ওভারে স্নায়ু চাপটা আরো দ্বিগুণ হয়ে যায় উভয় দলের। কারণ জয়ের জন্য তখন দরকার মাত্র ১১ রান। আর খুলনার প্রয়োজন চার উইকেট। এবার বল হাতে তুলে নেন সাকিব নিজেই। ওভারের প্রথম দুই বলেই দুই উইকেট তুলে নিলেও স্টাইরিসের ছক্কায় নাটকীয়তা আরো জমে ওঠে। শেষ বলে চার সিলেটের চার রানের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু তালহা যুবায়ের বাউন্ডারি হাঁকাতে ব্যর্থ হলে ২ রানের নাটকীয় জয় পায় খুলনা রয়েল বেঙ্গল। এন্ড্রু রাসেল, সাকিব ও রাজ্জাক দুটি করে উইকেট তুলে নেন।
১৪ বলে ৩৫ রান এবং দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন খুলনার এন্ড্রু রাসেল।

 

ব্রাদার্সের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে পেশাদার লিগের নবাগত দল বিজেএমসি

ক্রীড়া প্রতিবেদক
হার্ট অ্যাটাকের পর মাসখানেক হাসপাতালে থাকা টিম বিজেএমসির উপদেষ্টা কোচ ওয়াজেদ আলী গাজী রিলিজ পেয়েছেন গত বৃহস্পতিবার। বাইরে বেরোনোর ওপর ছিলো চিকিৎসকের কড়া বারণ। কিন্তু প্রিয় দলকে উৎসাহ যোগাতে ঘরে বসে থাকতে পারেননি। তবে গতকাল ব্রাদার্সের বিপক্ষে দলের খেলা দেখে খুশি হতে পারেননি। মন খারাপ করেই বাসায় ফিরে যান তিনি। খেলায় পিছিয়ে থেকে ব্রাদার্সের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে পেশাদার লিগের নবাগত দলটি। অন্যদিকে আগের দুই ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দিতে পারেননি ব্রাদার্স কোচ সৈয়দ নাঈমুদ্দিন। পারিবারিক কাজে ভারতে ফিরে গিয়েছিলেন। তার অনুপস্থিতিতে আরামবাগ ও মোহামেডানের বিপক্ষে দুই ম্যাচেই হেরে যায় গোপীবাগের দলটি। শনিবার ফের দলের হাল ধরাতে চাঙ্গা হয়ে উঠা ব্রাদার্স ম্যাচে উজ্জ্বীবিত নৈপূণ্য প্রদর্শন করে। অল্পের জন্য জয় হাতছাড়া হয় তাদের। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বিরতির আগে বিজেএমসির চেয়ে এগিয়ে ছিলো নাঈমুদ্দিনের দল। ১৬ মিনিটে কিংসলের আড়াআাড়ি পাসে পা ছুঁইয়েছিলেন নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার প্রিন্স অরোদে। অল্পের জন্য সেটি লক্ষ্যভ্রস্ট হলে বেঁচে যায় টিম বিজেএমসি। তবে বিশ্রামে যাওয়ার আগেই গোল তুলে নেয় ব্রাদার্স। ৪১ মিনিটে ডানপ্রান্ত থেকে অনিকের বাড়িয়ে দেওয়া বলে নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার কিংসলের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলেও পাশেই থাকা স্বদেশি জোসুয়া প্লেসিং শটে বল জালে জড়িয়ে দেন। অবশ্য প্রথম মিনিটেই ইসমাইল বাঙ্গুরার শট মিস না হলে এগিয়ে যেতে পারতো বিজেএমসি। দ্বিতীয়ার্ধের সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে উঠে টিম বিজেএমসি।
৬৭ মিনিটে ইসমাইল বাঙ্গুরার ক্রস থেকে গোলপোস্টের ঠিক সামনে থেকে জুলস ইকাঙ্গার শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে গেলে গোলবঞ্চিত হয় বিজেএমসি। তবে ৭৪ মিনিটে ভাগ্য সহায় হয়। আবুলের ফ্রিকিক থেকে রনি বক্সে বল পান। ব্রাদার্স রক্ষণভাগ তাকে প্রতিহত করার চেষ্টা করলেও বক্সের সামনে জটলা থেকে আলতো টোকায় গোল করেন নাইজেরিয়ান ক্যামেরুন স্ট্রাইকার বেবেক। বাকি সময় বিজেএমসির কয়েকটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়ে উভয় দল।

 

ভুল তথ্য দিয়ে বিপিএলে রাজ্জাক

স্পোর্টস ডেস্ক
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) নির্বাচকদের কাছে ভুল তথ্য দেয়ার কারণে দ-ের মুখে পড়তে পারেন দেশটির সিনিয়র অলরাউন্ডর আবদুল রাজ্জাক। তিনি বল করার মতো ফিট নন বলে তথ্য দিয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) দুরন্ত রাজশাহীর পক্ষে খেলছেন। নির্বাচকম-লীর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, জাতীয় দলের হয়ে বল করার মতো যথেষ্ট ফিটনেস না থাকার কথা বলে রাজ্জাক বিপিএলে খেলার জন্য ছাড়পত্র (এনওসি) নেন। অথচ রাজ্জাককে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠানরত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওডিআই সিরিজে জাতীয় দলের জন্য বিবেচনা করা হচ্ছিল। কিন্তু কাঁধের ইনজুরির কারণে রাজ্জাক বল করতে পারবেন না বলে জানান। সূত্রটি জানায়, একজন ব্যাটসম্যান হিসাবে বিপিএলে খেলার কথা বলে রাজ্জাক পিসিবির কাছ থেকে ছাড়পত্র নেন।
প্রধান নির্বাচক মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেছেন, রাজ্জাক বিপিএলে বল না করার কথা নিশ্চিতভাবে জানিয়েছিল। ঠিক এই মুহূর্তের পরিস্থিতি আমি জানি না। তবে সে বল করার মতো পুরোপুরি ফিট না থাকার বিষয়ে উল্লেখ করেছিল। বোর্ডের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে।

একাডেমি গঠনে আশ্বাস দিয়েছে ফিফা

ক্রীড়া প্রতিবেদক:
সিলেট বিকেএসপিতে ফুটবল একাডেমি গঠনে ফিফার সহযোগিতার আশ্বাস পেয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। গত শুক্রবার রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে ফিফা কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সভায় এই আশ্বাস পেয়েছে বাফুফে। সভায় উপস্থিত ছিলেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ও ফিফার উন্নয়ন বিষয়ক ব্যবস্থাপক ডেভিড বোরজা। একাডেমি গঠনে ফিফা আর্থিক সহায়তা দেবে বাফুফেকে। এ ছাড়া একাডেমির জন্য খেলোয়াড় বাছাই ও ফুটবলের বিভিন্ন উপকরণ দেয়ারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন জানিয়েছেন, আগামী জুন অথবা জুলাইয়ে একাডেমির কার্যক্রম শুরু হতে পারে। তিনি বলেন, দেশের প্রথম ফুটবল একাডেমির কার্যক্রম খুব শিগগিরি শুরু হচ্ছে।

 

 

 

 

nvq‡i evdz‡di wgwWqv!

Posted:2011.09.05:6:00 by M.M.Masud

‡gwmi †bZ…‡Z¡ Av‡R©w›Ubv dzUej `j‡K XvKvq wb‡q G‡m cÖ`k©bx g¨vP †Ljvi Av‡qvRb Kivi †Nvlbv †`evi ci †_‡K wewfbœ cwÎKvq G wb‡q cwRwUf Ges †b‡MwUf `yB ai‡bi msev` Qvcv n‡Z _v‡K| MZ †iveevi †_‡K mvsevw`K‡`i Rb¨ wgwWqv KvW© †`qv ïiæ K‡i evdz‡d wgwWqv KwgwU| `xN© cÖZxÿvi ci `ytLRbK n‡jI mwZ¨ eû cwÎKvi mvsevw`Kiv wgwWqv KvW© cvbwb g¨vP Kvfv‡ii Rb¨| A_P eû mvsevw`K wgwWqv KvW© †c‡q‡Qb hv‡`i cwÎKv eûKvj hveZ cÖKvwkZ nq bv| Ges wKQz wd«j¨vÝ mvsevw`K‡KI KvW© †`qv n‡q‡Q| ïay ZvB bq A‡bK cÖwZôvb †c‡q‡Q Qq †_‡K AvUwU KvW©| GB e¨vcv‡i wgwWqv KwgwUi g¨v‡bRv‡ii mv‡_ Avjvc n‡j wZwb e‡jb, Kv‡W©i e¨vcviwU m¤ú~Y© KwgwUi wm×všÍ Abyhvqx n‡q‡Q Kviv cv‡e Kviv cv‡e bv| A_P eû gyL bv †Pbv mvsevw`K †mŠfvM¨evb GB KvW©wU nv‡Z †c‡q‡Qb 6 †m‡Þ¤^‡ii g¨vPwU Kvfv‡ii Rb¨| wZwb Av‡iv e‡jb, A‡bK hvPvB-evQvB K‡iB bvwK KvW©¸‡jv †`qv n‡q‡Q|

wKQz cwÎKvi wbqwgZ mvsevw`Kiv A‡bK †`b-`ievi K‡i KvW© msMÖn Ki‡jI A‡b‡KB †kl ch©šÍ KvW© cvIqv †_‡K ewÂZ nb| AevK n‡jI mwZ¨ wgwWqv KwgwU †_‡K Rvbv‡bv nq, wgwWqvi Rb¨ wba©vwiZ Kv‡W©i ÷K †kl n‡q wM‡q‡Q| e¨vcviwU 40 †KvwU UvKvi ev‡R‡Ui 90 wgwb‡Ui g¨v‡Pi GB Av‡qvRb‡K mwZ¨B nvm¨K‡i cwiYZ K‡i‡Q| Zvn‡j A‡b‡Ki cÖkœ GZ UvKvi ev‡R‡Ui g¨vP mvsevw`K‡`i KvW© KZ¸‡jv Qvcv n‡q‡Q?

kay ZvB bq wgwWqv‡K mvnv‡h¨i Rb¨B wgwWqv KwgwU| A_P Zviv e¨¯Í wQ‡jb dzUejvi‡`i Af¨_©bvq| 4 †m‡Þ¤^i ivZ †_‡KB wgwWqv KwgwUi A‡b‡KiB †dvb eÜ| Kv‡iv †dvb †Lvjv _vK‡jI †dvb ai‡Q bv| cÖkœwe× n‡q‡Q evdz‡d wgwWqv KwgwUi Kg©KvÐ wb‡q| A_P hviv cÖPvi Ki‡e evdz‡di mvdj¨ A_ev e¨_©Zv ZvivB ewÂZ wgwWqv KwgwUi mvwf©m †_‡K|

90 wgwb‡Ui Av‡qvRb Ki‡ZB hw` evdz‡d nvwc‡q hvq, Zvn‡j dzUe‡ji Dbœqb Ki‡Z †Zv Zvn‡j GB KwgwU‡K Lyu‡RB cvIqv hv‡e bv| GKRb wmwbqi µxov mvsevw`K gšÍe¨ K‡i‡Qb welqwU wb‡q|

 

-+