mvsevw`K-mvwnwZ¨K d‡qR Avng` Avi ‡bB
wbR¯^ c«wZ‡e`K:
XvKv, 20 ‡de«yqvwi: c«exY mvsevw`K, mvwnwZ¨K I QovKvi d‡qR Avng` ‡mvgevi ‡fv‡i ivRavbxi GKwU nvmcvZv‡j gviv ‡M‡Qb| Bbœv wjj­wn Iqv Bbœv BjvBwn iv‡RDb|

‡mvgevi ‡fvi 5Uvi w`‡K wZwb Amy¯’ ‡eva Ki‡j Zv‡K evi‡Wg nvmcvZv‡j ‡bqv nq| GLv‡b wPwKrmKiv Zv‡K g…Z ‡NvlYv K‡ib| g…Z¨yKv‡j Zvi eqm n‡qwQj 84 eQi| wZwb Wvqv‡ewUmmn evaK¨©RwbZ ‡iv‡M fyMwQ‡jb|
avbgwÊi wkív½b AvU© M¨vjvwi‡Z mKvj 10Uv ch©š— Zvi gi‡`n ivLv n‡e| c‡i ‡mLvb ‡_‡K Zv‡K RvZxh় ‡c«m K¬v‡e I XvKv wek¦we`¨vjh‡়i Aciv‡Rh় evsjvi cv`‡`k ‡bh়v n‡e| me ‡k‡l Zvi gi‡`n KwgDwb÷ cvwUi« Awd‡m ‡bh়v n‡e|
dh‡়R Avng‡`i B”Qv Abyhvqx ag©xq ‡Kv‡bv AvbyôvwbKZv cvjb Kiv n‡e bv| Zvi ‡`n evsjv‡`k ‡gwW‡K‡j `vb Kiv n‡e|
dh‡়R Avng` 1928 mv‡ji 2 ‡g gywÝM‡Äi weµgcy‡ii evmvBj‡WvM M«v‡g Rb¥M«nY K‡ib| Zvi evevi bvg ‡Mvjvg ‡gv¯—dv ‡PŠayix| 1947 mv‡j ‡`k fv‡Mi ci wZwb KwgDwb÷ cvwU©‡Z ‡hvM ‡`b| c~e© evsjvi ¯^vwaKvi Av‡›`vjb I 1971 mv‡ji gyw³hy‡× wZwb mwµh়fv‡e AskM«nY K‡ib|
evsjv‡`k msev` ms¯’vi c«wZôvKvjxb c«avb m¤úv`K d‡q‡Ri nvZ a‡iB wcwKs ‡iwWI‡Z (eZ©gvb ‡eBwRs ‡iwWI) evsjv fvlvq Abyôvb c«Pvi Pvjy nq| wZwb RvZxq KweZv Drm‡ei c«_g 5 eQi AvnevqK wQ‡jb| GQvov 1982 ‡Z evsjv GKv‡Wgxi KvDwÝj m`m¨ wbe©vwPZ nb| wKš‘ c‡i Gikv‡`i mvgwiK kvm‡bi c«wZev‡` c`Z¨vM K‡ib| ‡`‡ki mvs¯‹…wZK Kg©Kv‡Êi m‡½I Nwbôfv‡e m¤ú…³ wQ‡jb wZwb| wQ‡jb mw¤§wjZ mvs¯‹…wZK ‡Rv‡Ui c«wZôvZv mfvcwZ|
Kg© I ivR‰bwZK Rxe‡bi cvkvcvwk d‡qR Avng` c«avbZ wkï-wK‡kvi‡`i Rb¨ Qov I KweZv wj‡L‡Qb| Zvi eB‡qi msL¨v c«vq GKk| Gi g‡a¨ wkï-wK‡kvi‡`i Rb¨ eB i‡q‡Q 60wU| Aa¨vcK Kexi ‡PŠayix wkï‡`i Rb¨ iwPZ Zvi PviwU eB Bs‡iwR‡Z Abyev` K‡i‡Qb|
Zvi ‡jLv Qov wb‡q GKwU Ave…wË I m½x‡Zi K¨v‡mU ‡ewi‡q‡Q| d‡qR Avng‡`i eB¸‡jvi g‡a¨ Ôga¨iv‡Zi Ak¦v‡ivnxÕ me‡P‡q weL¨vZ| GwU Zvi ‡k«ôM«š’ e‡j we‡ewPZ| Qovi eB‡qi g‡a¨-Õ‡n wK‡kviÕ, ÔKvgi“j nvmv‡bi wPÎkvjvqÕ, Ô¸”Qy QovÕ, ÔwigwSgÕ, Ô‡evu ‡evu KvÆvÕ, ÔcyZwjÕ ÔUysÕ, Ô‡RvbvKxÕ, ÔRywo ‡bBÕ, ÔwÎqsÕ, ÔZywji mv‡_ jovBÕ, ÔwUDwUDÕ, ÔGKv‡ji QovÕ, ÔQovq Qovq 200Õ we‡klfv‡e D‡j­L‡hvM¨| GQvovI wZwb Pxbmn wewfbœ ‡`‡ki cvuPwU eB Abyev` K‡i‡Qb| Gi g‡a¨ ‡nvwPwg‡bi ‡R‡ji KweZv D‡j­L‡hvM¨|
evsjv GKv‡Wgx cyi¯‹vi, wkï GKv‡Wgx cyi¯‹vi, mvweŸi mvwnZ¨ cyi¯‹vi| GKy‡k c`K, byi“j Kv‡`i wkï mvwnZ¨ I ‡gv`v‡eŸi ‡nv‡mb Aviv wkï mvwnZ¨ cyi¯‹vi jvf K‡ib wZwb|
e¨w³MZ Rxe‡b d‡qR Avng` AweevwnZ wQ‡jb| Zviv 4 fvB, 5 ‡evb| 9 fvB‡ev‡bi g‡a¨ wZwb cÂg| fvB‡`i ‡KDB ‡eu‡P ‡bB| GKRb fvi‡Zi mv¤cÖ`vwqK `v½vq wbnZ nb| evwK `yÕfvB‡qi GKRb ü`‡iv‡M, Ab¨Rb K¨vÝv‡i Avµvš— n‡q gviv hvb|
d‡qR Avng‡`i g…Z¨y‡Z MYgva¨g I mvs¯‹…wZK A½‡b ‡kv‡Ki Qvqv ‡b‡g G‡m‡Q| Zv‡K ‡klev‡ii g‡Zv ‡`L‡Z f³-AbyivMxiv Zvi evmvq wfo Rwg‡q‡Qb|
 

Xvwe QvÎx jvwÂZ: mv‡R©›U I Kb‡÷ej eiLv¯—
wek¦we`¨vjq c«wZ‡e`K
XvKv, 19 ‡de«yqvwi: XvKv wek¦we`¨vj‡qi QvÎx jvwÂZ Kivq wbD gv‡K©U GjvKvi GK U«vwdK mv‡R©›U I GK Kb‡÷ej‡K eiLv¯— Kiv n‡q‡Q| mv‡R©‡›Ui bvg Avjx| Kb‡÷e‡ji bvg Bw`«m| ‡iveevi mܨvq G NUbv N‡U|

c«Z¨¶`k©xiv Rvbvq, ‡iveevi mܨv mvZUvi w`‡K XvKv wek¦we`¨vjq wRg‡bwmqvg gvV ‡_‡K wiKkvq Ky‡qZ-‰gÎx n‡j hvw”Q‡jb PZy_© e‡li« IB QvÎx| bxj‡¶Z µwms ‡_‡K wbD gv‡K©U ‡gv‡oi w`‡K wiKkv PjvPj wbwl× n‡jI wek¦we`¨vj‡qi cwiPqcÎ ‡`wL‡q hvIqv hvq| wKš‘ IB QvÎxi Kv‡Q cwiPqcÎ bv _vKvq wZwb Zvi ci‡b wek¦we`¨vj‡qi g‡bvM«vgLwPZ ‡Ljvi ‡cvkvK ‡`Lvb| ZviciI Bw`«m Zvi mv‡_ `ye¨©envi Ki‡Z _v‡Kb| ZLb IB QvÎx welqwU `vwqZ¡iZ U«vwdK mv‡R©›U Avjx‡K Rvbvb| AvjxI IB wk¶v_©xi mv‡_ Abyiƒc AvPiY K‡ib| NUbv RvbvRvwb n‡j wek¦we`¨vj‡qi wk¶v_©xiv G‡m AvaNÈv iv¯—v eÜ K‡i iv‡L|

Lei ‡c‡q XvKv wek¦we`¨vjq kvLv QvÎjx‡Mi mvaviY m¤úv`K Igi kixd wM‡q cywj‡ki EaŸ©Zb Kg©KZ©v‡`i ‡dvb K‡ib| cywjk Kg©KZ©viv G‡j wk¶v_©xiv ¶gv PvIqvi k‡Z© Ae‡iva DwV‡q ‡bq| ivZ bqUvi w`‡K cywjk Kg©KZ©viv I wk¶v_©xiv wek¦we`¨vj‡qi c«±i Kvh©vj‡q Av‡mb| ‡mLv‡b G‡m Avjx cywjk Kg©KZ©v‡`i Dcw¯’wZ‡Z IB QvÎxi Kv‡Q ¶gv Pvb|

c‡i U«vwd‡Ki EaŸ©Zb KZ©…c¶ welqwU Rvb‡j IB mv‡R©›U Avjx‡K ‡K¬vR K‡ib| Rvbv ‡M‡Q, IB iv¯—v w`‡Z XvKv wek¦we`¨vj‡qi wk¶v_©x‡`i hvIqvi wb‡`©k _vK‡jI A‡bK mgq Zv‡`i m‡½ U«vwdKiv Lvivc AvPiY K‡i|

wek¦we`¨vj‡qi c«±i G Gg AvgRv` evZ©v24 WU‡bU‡K e‡jb, ÒGK QvÎxi mv‡_ A‡kvfb AvPiY Kivq cywjk Kb‡÷ej‡K eiLv¯— Kiv n‡q‡Q|Ó

wWwm U«vwdK (`w¶Y) bvRgyj nvmvb Rvbvb, mܨvi w`‡K wek¦we`¨vj‡qi QvÎiv wiKkv‡hv‡M wbD gv‡K©U hvw”Q‡jb| G mgq IB ¯’v‡b KZ©e¨iZ GK U«vwdK mv‡R©‡›Ui mv‡_ Qv·`i K_v KvUvKvwU nq| c‡i QvÎiv D‡ËwRZ n‡q ‡M‡j IB U«vwdK mv‡R©‡›Ui wei“‡× Z`š— wUg MVb K‡i| c«v_wgKfv‡e Awf‡hvM c«gvwYZ nIqvq Zv‡`i ‡K¬vR Kiv n‡q‡Q| Z`š— wU‡gi wi‡cv‡Ui« wfwˇZ Zv‡`ii wei“‡× ¯’vqx e¨e¯’v ‡bqv n‡e|
 

 

 

 

খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের জন্য চোখের পানি ফেলছেন : সন্দীপে বিশাল জনসভায় প্রধানমন্ত্রী

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া সাধারণ মানুষকে ভালো না বেসে যুদ্ধাপরাধীদের জন্য চোখের পানি ফেলছেন। তিনি বলেন, বিরোধী দলের নেত্রী দেশ ও জনগণের জন্য কাজ না করে যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর জন্য গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। শেখ হাসিনা বলেন, যতো ষড়যন্ত্রই হোক না কেন, একাত্তরের ঘাতকদের বিচার এ দেশের মাটিতে অবশ্যই হবে। প্রধানমন্ত্রী গতকাল বিকালে চট্টগ্রামের সন্দীপ সরকারি হাজী এ বি কলেজ সংলগ্ন মাঠে এক বিশাল জনসভায় বক্তৃতাকালে এ কথা বলেন।
এর আগে সকালে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ইডকলের) অর্থায়নে নতুন করে ১০ লাখ সোলার হোম সিস্টেম বিতরণ এবং ২০ হাজার বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আলহাজ মো. শাহজাহান। আওয়ামী লীগ সভাপতিম-লীর সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু, আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা আমিনুল ইসলাম আমিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুসলেম উদ্দিন আহমেদ জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন। আওয়ামী লীগ জনগণের দল। জনগণের জন্য কাজ করাই আওয়ামী লীগের একমাত্র লক্ষ্যÑ একথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে সন্দ্বীপের লোকেরা আওয়ামী লীগকে ভোট না দিলেও বর্তমান সরকার এই উপজেলায় বিপুল উন্নয়ন কর্মকা- বাস্তবায়ন করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অপরদিকে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার এ উপজেলার উন্নয়নের জন্য কিছুই করেনি, বরং তারা এ উপজেলায় সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েমের মাধ্যমে সন্দ্বীপকে সন্ত্রাসের অভয়াশ্রমে পরিণত করেছে। তিনি বলেন, ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর বিএনপি-জামায়াত ক্যাডারদের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে হাজার হাজার আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীকে সন্দ্বীপ ছেড়ে চট্টগ্রাম মহানগরীতে আশ্রয় গ্রহণ করতে হয়। চারদলীয় জোট সরকার সন্দ্বীপ উপজেলার মানুষকে দুর্ভোগে ঠেলে দিয়ে ১১টি সাইক্লোন সেন্টার ও ফেরিঘাট বিক্রি করে দেয়। তিনি বলেন, বিএনপি ২০০২ সালে সন্দ্বীপ পৌরসভা নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়। বিএনপির শাসনের সঙ্গে আওয়ামী লীগের শাসনের তুলনা করে শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান সরকারের তিন বছরের শাসনামলে সন্দ্বীপে প্রতিহিংসার একটি ঘটনাও ঘটেনি। তিনি বলেন, আমরা দেশে সুশাসন বজায় রাখতে চাই, যাতে জনগণ শান্তিতে বসবাস করতে পারে।
Posted: চট্টগ্রামের সন্দীপ  ১৮ /02/2012

 

 

 

তত্ত্বাবধায়ক না হলে বিদায় নিতে হবে : খালেদা জিয়া

Posted: 2012.02.18 by Mehedi Masud From:Laxmipur

 

বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, মার্চের সমাবেশের পর এমন কর্মসূচি দেয়া হবে যাতে সরকারকে হয় তত্ত্বাবধায়কের দাবি মানতে হবে, নইলে বিদায় নিতে হবে। তাদের আর কোনো গতি থাকবে না। গত ২৯ জানুয়ারি বিএনপির গণমিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহতদের স্মরণে লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত এক জনসভায় এ হুমকি দেন খালেদা জিয়া। কঠিন কর্মসূচি আসার
আগেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন হতে হবে। দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে হলে অবশ্যই আওয়ামী লীগকে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার মানতে হবে। পুলিশের আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করে খালেদা জিয়া বলেন, পুলিশের যে বা যারা এই হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত থাকুক না তাদের শাস্তি দিতে হবে। নইলে আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে এর বিচার করবে। আগামী ১২ মার্চ রাজধানীতে বিএনপির সমাবেশে লক্ষ্মীপুরবাসীকে অংশ নেয়ার আহ্বান জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, মা-বোনরা সবাই এই কর্মসূচিতে ঢাকায় আসবেন। এই সরকারকে বিদায় করতে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে গণতান্ত্রিক এই কর্মসূচি পালন করবো। তিনি বলেন- সরকারকে বলবো, ১২ মার্চের কর্মসূচিতে বাধা দেয়া হলে তার সব দায় আপনাদেরই নিতে হবে। ঢাকা চলো কর্মসূচিতে বাধা দেয়া হলে আমরা কঠিন কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো। প্রায় এক ঘণ্টার বক্তব্যে তিনি সরকারের বিরুদ্ধে ব্যর্থতা, অপশাসন, ভারতপ্রীতির অভিযোগ এনে সমালোচনা করেন। একই সঙ্গে তিনি নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের দাবির যৌক্তিকতাসহ দেশের বর্তমান রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক চিত্র তুলে ধরেন। তার দল আগামীতে ক্ষমতায় গেলে কি কি করবে তার একটি ফিরিস্তিও দেন তিনি। খালেদা জিয়া বলেন, তিন বছরে জনসমর্থন হারিয়ে সরকার আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগই একদিন বিএনপির অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না বলেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করেছে। তাদের দাবি মেনে আমরা সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংযোজন করি। আওয়ামী লীগকে উদ্দেশে করে তিনি বলেন, যে সরকার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে পারে না সে সরকারের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই। আমরা এ অত্যাচারী সরকারের কাছ থেকে দেশের মানুষকে বাঁচাতে চাই। এ আওয়ামী লীগ সরকার খুনি সরকার; ক্ষমতায় এসে বিএনপি নেতা-কর্মীসহ শত শত মানুষকে হত্যা করেছে। তিনি বলেন, সীমান্তে বিএসএফের হাতে প্রতিনিয়তই হত্যা নির্যাতন চলছে। সরকার নীরব ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকার লক্ষ্মীপুরসহ দেশের ৬৪ জেলায় একজন করে গডফাদার তৈরি করেছে। ১০ টাকা দরে চাল খাওয়ানোর কথা বলে এখন খাওয়াচ্ছে ৪০ টাকা। এ সরকার মিথ্যাবাদী সরকার। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে দেশের মানুষ ভালো করে খেতে পারে না। চাল, ডাল, দুধসহ প্রত্যেক জিনিসের দাম ঊর্ধ্বমুখী। এ সরকার দ্রারিদ্র্য বাড়িয়ে দেয়। এ সরকারের অত্যাচারে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে দাঁড়িয়েছে। খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার এ পর্যন্ত ১৪ সাংবাদিকে হত্যা করেছে। এখন পর্যন্ত সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার রহস্য এখনো উদ্ঘাটিত হয়নি। খুনিরা কেন ধরা পড়ছে না তা জানতে চায় দেশবাসী। তিনি গ্রেফতার না হওয়ার পিছনে সরকারের মতলব আছে মন্তব্য করে বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দম্ভ করে বলেছিলেন ৪৮ ঘন্টায় খুনিরা গ্রেফতার হবে। কিন্তু খুনিদের গ্রেফতারের ক্ষমতা এ সরকারের নেই। কোন মতলবে খুনিদের গ্রেফতারের কথা বলেছিল, এখন খুনিদের গ্রেফতার করা হচ্ছেনা- তা আজ প্রশ্ন হয়ে আছে। জেলা বিএনপি সভাপতি আবুল খায়ের ভূঁইয়া এমপির সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম, সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, যুগ্ম মহাসচিব বরকত উল্লাহ ভুলু, আমানউল্যাহ আমান, ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন, জয়নাল আবদিন ফারুক, মো. শাহজাহান এমপি, লক্ষ্মীপুর সদর আসনের এমপি শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, রামগঞ্জের এমপি নাজিম উদ্দিন, রামগতির এমপি আশরাফ উদ্দিন নিজাম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহাব উদ্দিন সাবু, এড. হাছিবুর রহমান প্রমুখ। বক্তব্যের আগে বেগম জিয়া লক্ষ্মীপুরে পুলিশি হামলায় নিহত আবুল কাসেম ও রুবেলের পরিবারের মাঝে ২ লাখ টাকা করে ৪ লাখ টাকা নগদ প্রদান করেন এবং আহত নেতা-কর্মীদের জন্য ১ লাখ টাকা প্রদান করেন।

বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার পেলেন ১০ বরেণ্য ব্যক্তিত্ব

বাংলা একাডেমীর সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন ১০ বরেণ্য ব্যক্তিত্ব। নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ১০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সাহিত্য পুরস্কার ঘোষণা করে। গতকাল সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান ‘বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার ২০১১’ ঘোষণা করেন। কবিতায় বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন যৌথভাব অসীম সাহা ও কামাল চৌধুরী। প্রবন্ধে ড. আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, গবেষণায় অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ, অনুবাদে অধ্যাপক খালিকুজ্জামান ইলিয়াস, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যে বেলাল মোহাম্মদ, আত্মজীবনী/ স্মৃতিকথা/ ভ্রমণ কাহিনী ক্যাটাগরিতে ডা. বরেণ চক্রবর্তী, বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও পরিবেশ বিষয়ে ড. আলী আসগর, কথাসাহিত্যে আনিসুল হক এবং শিশুসাহিত্যে আখতার হুসেন। তবে এবার কাউকে নাটকে পুরস্কার দেয়া হয়নি।

৩১ মার্চ ঢাবির ৪৬তম সমাবর্তন

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬তম সমাবর্তন আগামী ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ পরিচালকের কার্যালয় থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে সমাবর্তনের ফরম পাওয়া যাবে এবং ১১ মার্চ পর্যন্ত একই স্থানে ফরম জমা দেয়া যাবে। ৩১ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রের খেলার মাঠে এ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্র্যাজুয়েট ও পদকপ্রাপ্তদের সমাবর্তনে নিবন্ধন ফি ধরা হয়েছে এক হাজার টাকা। এ ছাড়া এমবিবিএস, বিডিএসসহ অন্যান্য বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দুই হাজার টাকা দিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। আগামী ২৮ থেকে ৩০ মার্চ সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) থেকে সমাবর্তনের আমন্ত্রণপত্র ও গাউন সংগ্রহ করতে হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর ছবি সংবলিত নতুন নোট বাজারে আসছে কাল

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সংবলিত ১০, ২০ ও ৫০ টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক এ এফ এম আসাদুজ্জামান গতকাল শনিবার দুপুরে বলেন, সোমবার মতিঝিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে নোটগুলো ছাড়া হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের সব শাখা অফিস এবং দেশে কার্যরত সব ব্যাংকের শাখা থেকে এই নতুন নোট ছাড়া হবে বলে জানান তিনি। নতুন এসব নোটে বঙ্গবন্ধুর ছবি ছাড়াও দেশের উল্লেখযোগ্য স্থাপনার ছবি রয়েছে। এর আগে বঙ্গবন্ধুর ছবি সংবলিত ১০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট বাজারে ছাড়া হয়।

জুলাই মাসে তিস্তা সড়ক সেতু উদ্বোধন : যোগাযোগমন্ত্রী

কাউনিয়া, বদরগঞ্জ ও নাটোর প্রতিনিধি
যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বারবার সময় বৃদ্ধি করায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছি। আমাকে বোকা বানাবেন না, আর জনগণকেও দুর্ভোগে ফেলবেন না। চলতি বছরের ৩০ জুনের মধ্যে কাজ শেষ করবেন। আগামী জুলাই মাসে প্রধানমন্ত্রী এ সেতু উদ্বোধন করবেন। গতকাল শনিবার রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় তিস্তা সড়ক সেতু নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করতে এসে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলার রাজেন্দ্রবাজার এলাকায় সংক্ষিপ্ত পথসভায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল মনছুরের সভাপতিত্বে মন্ত্রী বলেন, তিস্তা সড়ক সেতুর ওপর তিন জেলার মানুষের বাঁচা-মরা নির্ভর করছে। আমাকে বোকা বানিয়ে ধোঁকা দিবেন না। আর আমি কথায় না কাজে বিশ্বাস করি, জুন মাসের মধ্যে সড়ক সেতুর কাজ শেষ করতে যা যা করা প্রয়োজন তা করা হবে। আগামী জুলাই মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সেতুর শুভ উদ্বোধন করবেন বলে তিনি জানান। সড়ক সেতুর ডান তীরে ২০টি গ্রাম ভাঙন রোধে বেড়িবাঁধ নির্মাণে এলাকবাসীকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, আপনারা কাগজপত্র প্রস্তুত করে আমার দফতরে পাঠাবেন।
মন্ত্রী গতকাল সকালে রংপুর থেকে সড়কপথে কাউনিয়া তিস্তা সড়ক সেতু এলাকায় পৌঁছালে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করেন। এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোতাহার হোসেন এমপি, কাউনিয়া-পীরগাছার সংসদ সদস্য টিপু মুনশি, রংপুর জেলা প্রশাসক বি এম এনামুল হক, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোখলেছার রহমান, কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. সুলতানা পারভীন, জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি সড়কপথে বদরগঞ্জের উদ্দেশে যাত্রা দেন।
আমাদের বদরগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, গতকাল বদরগঞ্জ-রংপুর সড়কের যমুনেশ্বরী নদীতে পুনর্নির্মিত যমুনেশ্বরী সেতু উদ্বোধনকালে যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, এ সরকার কথায় নয় কাজে বিশ্বাস করে। তিনি বিরোধী দলকে ইঙ্গিত করে বলেন, তারা রঙিন বেলুন উড়িয়ে জনগণকে অনেক স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন কিন্তু নির্বাচনের আগে সেই বেলুন চুপসে গেছে। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আনিছুল ইসলাম ম-ল, রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনের সংসদ সদস্য টিপু মুন্সী, বদরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডিউক চৌধুরী প্রমুখ। মন্ত্রী বদরগঞ্জ উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের মোস্তফাপুর ঘাটে বেইলি ব্রিজ স্থাপন ও বদরগঞ্জ-শ্যামপুর রোডের সংস্কারের তাৎক্ষণিক নির্দেশ দিয়ে বলেন, আমি সেই ওয়াদা করি না যেটা পূরণ করা যায় না। সড়কপথে তাকে উদ্দেশ করে স্থাপিত বিভিন্ন তোরণ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি আসলে দয়া করে রাস্তায় গেট দিবেন না, হোন্ডা মিছিল করবেন না। এতে যে পয়সা খরচ হবে সেটা হাসপাতালের দুস্থ রোগীদের জন্য ব্যয় করবেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, এদেশের বহু মন্ত্রী সংবর্ধনা নিয়েছেন কাজ করেননি। তারা জনগণকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানিয়েছে। তাই আমি প্রতিশ্রুতি দিয়ে হাত তালি চাই না। কারণ এই তালি একদিন গালিতে পরিণত হতে পারে। পরে তিনি সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী ও প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা আনিছুল হক চৌধুরীর কবর জিয়ারত করেন।
নাটোর প্রতিনিধি জানান, গতকাল সন্ধ্যায় নাটোরের সিংড়ায় জোড়মল্লিকা খালের ওপর সেতু নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি রাস্তার মন্ত্রী আমাকে রাস্তায় থাকতে হবে। ভাষণ দেয়া আমার কাজ নয়। দেশের জনগণ এখন ভাষণ শুনতে চায় না, কাজ চায়। তিনি বলেন, এখন জনগণকে নতুন কোনো স্বপ্ন দেখাতে চাই না। যেসব ব্রিজ, কালভার্ট, রাস্তা একেবারেই অকেজো হয়ে পড়েছেÑ সেগুলো মেরামত করে সারিয়ে তুলতে চাই। তিনি আবারো জোর দিয়ে বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে পদ্মা সেতুর কাজ শুরু করা হবে।
ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ওহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকার, ইসরাফিল আলম এমপি, নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবদুল কুদ্দুস, নাটোর (সিংড়া)-৩ আসনের সংসদ সদস্য জুনাইদ আহমেদ পলক, নাটোর জেলা পরিষদ প্রশাসক সাজেদুর রহমান খান প্রমুখ। নাটোরের সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বাদেশ আলী জানান, সিংড়া-আত্রাই জেলা সড়কের ২ কিলোমিটারে জোড়মল্লিকা খালের ওপর ৯২ দশমিক ৯৭ মিটার পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। তিন স্পেনবিশিষ্ট সেতুর প্রস্থ ৭ দশমিক ৩ মিটার ও উচ্চতা হবে ৩০ দশমিক ৫০ মিটার। এর দুপাশে থাকবে ফুটপাত। সেতুটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৮১ লাখ ৩৬ হাজার টাকা। ওই সেতু নির্মিত হলে নাটোরের সিংড়া উপজেলা থেকে আত্রাই হয়ে নওগাঁ জেলার সঙ্গে সড়ক পথে দূরত্ব প্রায় ৮৪ কিলোমিটার কমে যাবে। এ ছাড়া যাতায়াতে সময় ও ব্যয় সাশ্রয় ছাড়াও সামগ্রিকভাবে এলাকার জনসাধারণের আর্থসামাজিক উন্নয়নে এ সেতু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।